ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ ফায়ার উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন এখনো বহাল তবিয়তে! খুটির জোড় কোথায়?
ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ ফায়ার উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন এখনো বহাল তবিয়তে! খুটির জোড় কোথায়?
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে গত এক মাস ধরে ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানোর ঘটনা সামনে এসেছে। পোস্টারগুলোতে ওই কর্মকর্তার অপসারণ ও তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পোস্টারগুলোতে ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ সালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও দায়িত্বে ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে অবিলম্বে অপসারণ এবং আইনগত ব্যবস্থার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মেয়াদে (২০০৬-২০২৬) দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তার প্রভাবের কারণে অনেকে সরাসরি অভিযোগ করতে ভয় পান। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, “তার প্রভাব এতটাই বেশি যে তাকে ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয় না এমন কথা তিনিই নিজেই দাবী করেন বলে জানা গেছে। তিনি এমন ঔদ্ধত্যপূর্ন কথাও নাকি বলে বেড়ান তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ হোক তার পদ থেকে ডিজি তাকে সরিয়ে দিবেন না। এরকম অসংখ্য অভিযোগ করার পরও তিনি বহাল তবিয়তে দায়িত্বে রয়েছেন, যা কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে।
তারা আরও জানান, সরাসরি অভিযোগ জানাতে না পেরে গত এক মাস ধরে গোপনে রাজধানীর সচিবালয়ে, মিরপুর ১০, কালশী, মিরপুর ডিওএইচএস এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগিয়ে বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিতে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) জাহিদ কামালের ছত্রছায়ায় তিনি এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।
"উপপরিচালক সালেহ উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সহচর তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং স্বৈরাচার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সঙ্গে। এই সম্পর্কের ভিত্তিতেই তিনি তার শিকড় গেড়ে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং এখনও বহাল তবিয়তে আছে। কে বা কারা এসব পোস্টার লাগাচ্ছে, সে বিষয়েও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন কাছে জানতে মুঠোফোনে একাদিকবার ফোন দিলেও পাওয়া যায় নি।
এছাড়াও উর্ধতন কর্মকর্তা মহাপরিচালক ও পরিচালকদের মুঠোফোনে একাদিকবার ফোন করলে রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, যাতে সত্যতা নিশ্চিত করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন এর অনিয়ম দুর্নীতি ও অবৈধ অর্থ সম্পদের আরো তথ্য নিয়ে আসছে দ্বিতীয় পর্ব ভিডিও নিউজ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin
কমেন্ট বক্স